২০১৭-২০১৮ অর্থবছরের ঘোষিত বাজেটের উপর বিজিএপিএমইএ এর প্রতিক্রিয়া

বাজেটের

১৩ জুন ২০১৭ তারিখে লা ভিঞ্চি হোটেল, কাওরান বাজার, ঢাকায় বাংলাদেশ গার্মেন্টস এক্সেসরিজ এন্ড প্যাকেজিং ম্যানুফ্যাকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন (বিজিএপিএমইএ) এর পক্ষ থকেে ইফতার মাহফিল ও সংবাদ সম্মলেনরে আয়োজন করা হয় । এই অনুষ্ঠানে ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরের ঘোষিত জাতীয় বাজেটের উপর বিজিএপিএমইএ পক্ষ থকেে মোঃ আব্দুল কাদের খান সভাপতি, বিজিএপিএমইএ তাঁদরে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করনে।

তনিি বলনে, বর্তমানে তরৈি পোশাকের আন্তর্জাতিক বাজার এক সংকটময় পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক বাজেট প্রতিক্রিয়ায় বিজিএমইএ এ বিষয়ে তাদের বক্তব্য তুলে ধরেছে। যেহেতু গার্মেন্টস এক্সেসরিজ মালিকগন সরাসরি এ ব্যবসার সাথে ওতোপ্রোতভাবে জড়িত, তাই সরকারের কাছে এ সেক্টরের সকলের দাবি দুই বছরের জন্য উৎসে কর মওকুফ করা হোক এবং সিঙ্গেল ডিজিটে এ সেক্টরের উদ্যোক্তাদের ব্যাংক লোনের ব্যবস্থা করা হোক ।

তনিি আরও বলনে, গার্মেন্টস এক্সেসরিজ ও প্যাকেজিং সেক্টর স্থানীয় চাহদিা পূরনরে পাশাপাশি সরাসরি রপ্তানওি করে থাকে। কিন্তু অন্যান্য রপ্তানিমূখী শিল্পের মত এ সেক্টর নগদ সহায়তা পায় না। অথচ প্যাকেজিং ও এক্সেসরিজের আন্তর্জাতিক বাজার রয়েছে প্রায় ৫৮৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তাই সরকারের নিকট আমরা দাবি জানাচ্ছি যনে, গার্মেন্টস এক্সেসরিজ ও প্যাকেজিং সেক্টরে নগদ সহায়তা প্রদান করে প্রতিযোগিতামূলক আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশে সহায়তা এবং দেশের রপ্তানি আয় বৃদ্ধিতে সহায়তা করা হয়। যা বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিনত করার জন্য সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

পরিশেষে ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরের বাজেট পাস হওয়ার পূর্বে তনিি গার্মেন্টস এক্সেসরিজ ও প্যাকেজিং সেক্টরের জন্য বাজেটে নি¤œবর্ণিত প্রস্তাবনাগুলো সরকারের সদয় বিবেচনার জন্য উপস্থাপন করনে ঃ
১. গার্মেন্টস এক্সেসরিজ ও প্যাকেজিং সেক্টরের কর্পোরেট কর ৩৫% থেেক ১৫% এ নামিয়ে আনা;
২. দুই বছরের জন্য উৎসে কর মওকুফ করা;
৩. সিঙ্গেল ডিজিটে এ সেক্টরের উদ্যোক্তাদের ব্যাংক লোনের ব্যবস্থা করা
৪. গার্মেন্টস এক্সেসরিজ ও প্যাকেজিং সেক্টরে ৫% নগদ সহায়তা প্রদান করা।

উৎসঃ ওটিজিএিল

Leave a Reply

*