২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরেরর ঘোষিত বাজেট সংক্রান্ত বিজিএপিএমইএ এর প্রতিক্রিয়া

বাংলাদেশ গার্মেন্টস এক্সেসরিজ এন্ড প্যাকেজিং ম্যানুফ্যাকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশনের (বিজিএপিএমইএ) ২০১৭-১৮ অর্থ বছরের ঘোষিত বাজেটকে জনকল্যানমূখী উল্লেখ করে এর জন্য সরকারকে অভিনন্দন জানাচ্ছে। এছাড়াও এ বাজেটটি সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীকে আরও জোরদার করবে বলে এসোসিয়েশন মনে করে। তবে প্রায় ৪ লক্ষ ২৬৬ কোটি টাকার বিশাল অঙ্কের এ বাজেট বাস্তবায়ন করতে হলে সুশাসনের প্রয়োজন।

গার্মেন্টস এক্সেসরিজ ও প্যাকেজিং শিল্পের উৎসে আয়কর ০.৭০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ০.৫০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছিল। কিন্তু ঘোষিত বাজেটে তা ১% করা হয়েছে। তাই আমরা প্রস্তাব করছি উৎসে আয়কর পূর্বের ন্যায়ই রাখা হোক। এছাড়া গার্মেন্টস এক্সেসরিজ ও প্যাকেজিং শিল্প খাত গার্মেন্টস শিল্পের পশ্চাৎসংযোগ শিল্প হিসেবে কাজ করে আসছে। কিন্তু তৈরি পোশাক শিল্পের ক্ষেত্রে কর্পোরেট ট্যাক্স ২০% কমিয়ে ১৫% করা হয়েছে। অথচ গার্মেন্টস এক্সেসরিজ ও প্যাকেজিং সেক্টরের জন্য তা পূর্বের ন্যায় ৩৫% হিসেবে রয়েছে, যা বৈষম্যমূলক। এছাড়াও এ সেক্টরটি একটি উদীয়মান শিল্পখাত। এ খাতের জন্য কোন ধরনের প্রনোদনা নেই। তাই অন্যান্য খাতের মতো এ খাতকেও প্রনোদনা প্রদানের জন্য সরকারের নিকট আহবান জানানো হচ্ছে। বর্তমানে কারখানাকে নিরাপদ, ঝুকিমুক্ত, কমপ্লায়েন্ট ও পরিবেশবান্ধব করতে যে সকল অগ্নি নির্বাপক সরঞ্জামাদি প্রয়োজন তার মধ্যে ঋরৎব ঢ়ৎড়ড়ভ ঢ়ধরহঃ ভড়ৎ ঢ়ৎব-ভধনৎরপধঃবফ নঁরষফরহম (ঐঝ ঈড়ফব:৩২০৮.৯০.২০) অন্যতম। এ আইটেমটি শুল্কমুক্তভাবে আমদানির কোন সুযোগ রাখা হয়নি। তাই পরিবেশবান্ধব শিল্প গড়ে তোলার জন্য এ আইটেমটি শুল্কমুক্তভাবে আমদানির সুযোগ প্রদান করা হোক। এছাড়াও রপ্তানির স্বার্থে কাস্টমস অ্যাক্ট ১৯৬৯ এর ৯১ ধারা সংশোধনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে তা বিবেচিত হয়নি। তাই আমরা সরকারের নিকট উক্ত ধারা বিলুপ্তির সুপারিশ করছি। এ ধারায় ৩টি সংস্থা যেমনঃ বন্ড কমিশনারেট অফিস, রাজস্ব দপ্তর এবং শুল্ক মূল্যায়ণ ও অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা দপ্তর একই কাজের জন্য তদন্ত করে থাকে। তাই আমাদের প্রস্তাব হচ্ছে চলমান বাজেটে এ ধারার সংশোধন করা হোক।

 

উৎসঃ বজিএিপএিমইএ

Leave a Reply

*